কোম্পানী

Здесь новые шаблоны для dle
шаблоны joomla на templete.ru
Красивые шаблоны joomla.

১. সংস্থার পরিচিতি,কার্যাবলী ও জনবল কাঠামোঃ

পরিচিতিঃ

১৯৬৫ সালে ২ (দুই) কোটি টাকা মুলধন নিয়ে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় তেল কোম্পানী হিসেবে পাকিস্তান ন্যাশনাল অয়েল লিমিটেড (পিএনওএল) নামক কোম্পানীটি যাত্রা শুরু করে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ অ্যাব্যানড্যান্ড প্রোপার্টি (কনট্রোল, ম্যানেজমেন্ট এন্ড ডিস্পোজাল) আদেশ ১৯৭২ (পিও নং ১৬, ১৯৭২) বলে পাকিস্তান ন্যাশনাল অয়েল লিমিটেডকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ন্যাশনাল অয়েল্স লিমিটেড। অতঃপর ১৩ জানুয়ারী, ১৯৭৩ তারিখের এক সরকারী আদেশ বলে এর পুনঃনামকরণ করা হয় যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (জেওসিএল), প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২১-৪-৭৩ তারিখের ২১ এম-৪/৭৬ (এন আর) বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এ কোম্পানী পেট্রোবাংলার আওতাধীনে একটি এডহক কমিটি (অয়েল কোম্পানীজ এডভাইজরী কমিটি) দ্বারা পরিচালিত হতো। ১৯৭৫ সনের ১২ মার্চ কোম্পানী আইন ১৯১৩ এর অধীনে সম্পূর্ণ সরকারী মালিকানাধীন একটি প্রাইভেট কোম্পানী হিসেবে যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড রেজিষ্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস এ নিবন্ধিত হয়,  যার অনুমোদিত মূলধন ১০ (দশ) কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা। পরবর্তীকালে ১৯৭৬ সালের বিপিসি অধ্যাদেশ নং খঢঢঢঠওওও (যা ১৩ নভেম্বর ১৯৭৬ তারিখে বাংলাদেশ গেজেট এক্সট্রা অর্ডিনারীতে প্রকাশিত হয়) এর ৩১ (সি) ধারায় বর্ণিত তালিকায় এ কোম্পানীর সম্পত্তি ও দায়-দেনা সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর নিকট স্থানান্তর করা হয়। এছাড়া ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারী তারিখে ইন্দো-বার্মা পেট্রোলিয়াম কোম্পানী লিমিটেড (আইবিপিসিএল) এর সমস্ত বিষয় সম্পত্তি ও দায়-দেনা এ কোম্পানী কর্তৃক গৃহীত হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন গঠনের পর থেকে যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের একটি সাবসিডিয়ারী হিসেবে কাজ করে আসছে।

২০০৫-২০০৬ অর্থ বৎসরের মুনাফা থেকে ৫.০০ কোটি টাকা বোনাস শেয়ার ইস্যু করে এ কোম্পানীর মোট পরিশোধিত মূলধন ১০.০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। গত ২৫ জুন, ২০০৭ তারিখে এ কোম্পানীকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তরিত করা হয় এবং এর অনুমোদিত মূলধন ৩০০.০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। পরবর্তীতে ১০-৮-২০০৭ তারিখে পুনরায় ৩৫.০০ কোটি টাকার বোনাস শেয়ার ইস্যু করে পরিশোধিত মূলধন ৪৫.০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়, যা বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন তাদের মালিকানাধীন শেয়ার থেকে প্রতিটি ১০.০০ টাকা মূল্যের ১,৩৫,০০,০০০টি সাধারণ শেয়ার অর্থাৎ; ১৩.৫০ কোটি টাকার শেয়ার ডাইরেক্ট লিস্টিং পদ্ধতির আওতায় অফ-লোড এর লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড এ ৯-১-২০০৮ তারিখে তালিকাভূক্ত হয় এবং যথারীতি উপরোক্ত শেয়ার পুঁজিবাজারে অফ-লোড করা হয়।

২০০৯-১০ অর্থবছরে কোম্পানী ৯(নয়) কোটি বোনাস শেয়ার ইস্যূ করে যার ফলে কোম্পানীর পরিশোধিত মুলধন ৪৫ কোটি থেকে ৫৪ কোটিতে উন্নিত হয়।

২০১০-১১ সালে কোম্পানী ১৬.২০ কোটি টাকার বোনাস শেয়ার ইস্যূ করে যার ফলে কোম্পানী পরিশোধিত মুলধন ৭০.২০ কোটি

২০১১-১২ সালে কোম্পানী ২১.০৬ কোটি টাকার বোনাস শেয়ার ইস্যূ করে যার ফলে কোম্পানীর বর্তমান পরিশোধিত মুলধন ৯১.২৬ কোটি

কোম্পানী পরিচালনার জন্য বর্তমানে নয় সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। কোম্পানীর সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালনা বোর্ডের অনুমোদনক্রমে সম্পাদিত হয়। এ ক্ষেত্রে সরকার নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করে, যা বিপিসি এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়।

 

প্রধান কার্যালয়ঃ যমুনা ভবন, শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
আবাসিক কার্যালয়ঃ যমুনা ভবন, ২ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
বিভাগীয় কার্যালয়ঃ চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও বগুড়া।
প্রধান স্থাপনাঃ গুপ্তখাল, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
ডিপোঃ সমগ্র দেশে ১৬টি ডিপো রয়েছে।
ব্যবসার প্রকৃতিঃ কোম্পানীর প্রধান কার্যক্রম হলো পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, লুব্রিকেটিং অয়েল ও গ্রীজ, বিটুমিন এবং এলপি গ্যাস সংগ্রহ, মজুতকরণ, সরবরাহ ও বিপণন।

 

কোম্পানীর কার্যাবলীঃ 

  • সমগ্র দেশে সময়মত সরকার নির্ধারিত মূল্যে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ।
  • গ্রাহকগনকে নির্ভেজাল ও মান সম্পন্ন পণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণের জন্য ডিপো সমূহে টেষ্টিং ল্যাবরেটরী স্থাপন।
  • ফিলিং স্টেশন হতে নিয়মিতভাবে পেট্রোলিয়াম পণ্যের নমুনা সংগ্রহ, গুনগত মান পরীক্ষা এবং পরিমাণের সঠিকতা যাচাইকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন।
  • খরা মৌসুমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং ৪(চার) টি আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যেও সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিবিরভাবে পর্যবেক্ষণ।
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আপদকালীন সময়ে জন-দূর্ভোগ লাগবের লক্ষে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

জনবল কাঠামোঃ 

০১-০৭-২০১৩ তারিখে কোম্পানী জনবল কাঠামো নিম্নরূপঃ 

কর্মকর্তা/কর্মচারী অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী জনবল বর্তমান জনবল বেশী/(কম)
কর্মকর্তা ২০০ ১৩৪ (৬৬)
কর্মচারী (গ্রুপ-২) ১২৯ ১১৭ (১২)
কর্মচারী (গ্রুপ-১) ৩২৭ ২৯৮ (২৯)
সর্বমোটঃ  ৬৫৬ ৫৪৯ (১০৭)

 

২.  ২০১১-১২ অর্থ বছরের সার্বিক কর্মকান্ড ও সাফল্যঃ

যমুনা অয়েল কোম্পানী দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানী তেল সরবারহের মাধ্যমে দেশের সামগ্রীক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। যমুনা অয়েল কোম্পানীর সার্বিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যথাসময়ে জনগনের দোরগোড়ায় জ্বালানী তেল সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং সুচারূপে বিপণন কার্যক্রম সম্পাদন। ২০১০-২০১১ অর্থবছর কোম্পানীর পেট্রোলিয়াম পণ্যেও বিক্রির পরিমাণ ১৪.৮২ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১১-২০১২ অর্থবছের পূর্ববর্ত বছরের তুলনায় ২.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়ে ১৬.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন হয়েছে।

বিগত ৫ বছরের পণ্য ভিত্তিক বিক্রয় বিবরণ নিম্নে পেশ করা হলোঃ 

বিবরণ ২০০৭-২০০৮ ২০০৮-২০০৯ ২০০৯-২০১০ ২০১০-২০১১ ২০১১-২০১২
এইচওবিসি ২৬৪৭৩ ২২১১২ ২৩১৮৬ ২৮০২৮ ২৯৪৪২
এমএস ৩৯৪১২ ৩৬২৪৩ ৩৭৯৫৭ ৪১৮৩৭ ৫০৫৩৮
এসকেও ১৩৪৩৮৩ ১১৬৪৬৩ ১২৯৫২০ ১৩৬৮৫৮ ১২৫৪৬০
এইচএসডি ৭৫৮২৮১ ৭৪৮৪৭৮ ৮২৬৮৮৭ ১০৮৬২৯৩ ১০৮০০৮৩
এলডিও ১৬৯
এফও ১৪৮৫৪৩ ৬৮৭২৯ ১১২৯৬০ ১৯২৩২২ ৩৬৫৮৭৯
জেবিও ৫৩৯৩ ৪৪৬৫ ৪৯৭৯ ৬৯৭৬ ৭২৬৭
লুব ৫১৯৪ ৪৪৮৬ ৪৪৭৩ ৪৯৭৭ ৪৮২৭
গ্রীস ৫৬ ৪২ ৪৯ ৭৫ ৭৫
এলপিজি ৩৩৩৫ ২৪৯৫ ৩৬১৮ ৪৬৪৫ ৪৯৩১
বিটুমিন ১১০১৫ ৭৩৯৭ ১৪৪৫৩ ৫৭২৬ ১৬৭৮৬
টোটাল ১১৩২২৫৪ ১০১০৯১০ ১১৫৮০৮২ ১৫০৭৭৩৭ ১৬৮৫২৮৮
বৃদ্ধি/হ্রাস   (১২১৩৪৪) ১৪৭১৭২ ৩৪৯৬৫৫ ১৭৭৫৫১
%   (১০.৭২) ১৪.৫৫ ৩০.১৯ ১১.৭৮

যমুনা অয়েল কোম্পানী প্রতিষ্টালগ্ন থেকে জাতীয় উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলছে। সেচ মৌসুমে জ্বালানী তেলের বর্ধিত চাহিদা পূরণের চ্যালেঞ্জ কোম্পানী সফলতার সাথে মোকাবেলা করে চলেছে। বিদ্যূৎ সরবরাহ সমাধানে বিভিন্ন স্থানে ফার্নেস অয়েল/ডিজেল চালিত পাওয়ার প্লান্টে জ্বালানী সরবরাহ করে চলেছে।

 

৩. আর্থিক কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ 

আর্থিক কর্মকান্ডের বিগত ৫(পাঁচ) বৎসরের চিত্র

বিবরণ ২০০৭-২০০৮ ২০০৮-২০০৯ ২০০৯-২০১০ ২০১০-২০১১ ২০১১-২০১২
মোট বিক্রয় ৫০৯৭.২৯ ৫৬৩১.৮৫ ৫৮০২.৮৪ ৭৭৯৬.৬৬ ১০৯৩০.৮৬
বিক্রয় খরচ (৫০১৪.৮২) (৫৫৭৭.৮৭) (৫৭৩৬.৮৩) (৭৭০০.২৯) (১০৭৪৯.৩৪)
মোট আয় ৮২.৪৭ ৫৩.৯৮ ৬৬.০১ ৯৬.৩৭ ১৮১.৫২
মোট খরচ ৩৬.৪৪ ৩৯.৬০ ৪১.৫৫ (৫৩.৩৮) ৫৪.৬৮
অন্যান্য পরিচালনায় আয় ৮.১৪ ৪.১০ ৬.০৭ ১৭.৫৮ ২৫.৯৭
পরিচালন আয় ৫৪.১৬ ১৮.৪৭ ৩০.৫৩ ৬০.৫৬ ১৫২.৮২
অন্যান্য আয় ১৮.৩৩ ৩৯.৯২ ৪৮.৫৪ ৮১.৩৪ ১৩৭.২৬
নেট আয় ৭২.৪৯ ৫৮.৩৯ ৭৯.০৭ ১৪১.৯০ ২৯০.০৮
শ্রমিক অংশিদারিত্ব তহবিল (৩.৬৩) (২.৯২) (৩.৯৫) (৭.১০) (১৪.৫০)
কর পূর্ববর্তী মুনাফা ৬৮.৮৭ ৫৫.৪৭ ৭৫.১২ ১৩৪.৮০ ২৭৫.৫৮
বিলম্বিত কর (১৭.৭৪) (১২.৮২) (১৮.৭১) (৩৩.৩৫) ৬৭.৬৭
কর পরবর্তী মুনাফা ৫১.১৩ ৪২.৬৫ ৫৬.৪১ ১০১.৪৫ ২০৭.৯১
শেয়ার হোল্ডারদের প্রদেয় লভ্যাংশ ১৮.০০ ১৮.০০ ২২.৫০ ৩২.৪০ ৫২.৬৫
নেট সম্পদ ১৪৮.০৯ ১৭২.০১ ১৮৭.৯২ ২৬৫.৯৭ ৪৩৭.৪৩

 

৪. মানব সম্পদ উন্নয়নঃ

জ্বালানী তেলের হ্যান্ডলিং, মজুতকরণ, সেফ্টি ও সিকিউরিটি নিশ্চিতকরণসহ দেশের সর্বত্র বন্টন ও বিপণন সংক্রান্ত ব্যাপক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য এ কোম্পানীতে একদল দক্ষ মানব সম্পদ রয়েছে। এ মানব সম্পদের মান আরও উন্নয়নের জন্য দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ, কর্র্মশলায় অংশগ্রহণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

৫. পরিবেশ সংরক্ষণ ও কল্যাণ কার্যক্রমঃ

এ কোম্পানী ক্ষেত্র বিশেষে দূষণকারী হিসেবে বিবেচিত জ্বালানী তেলের ব্যবসা করে বিধায় কোন অবস্থায় যাতে কোম্পানীর পরিচালন কার্যক্রমের ফলে নদী দূষণ বা অন্য কোন প্রকার পরিবেশ দূষণ না হতে পারে সে বিষয়ে সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখে এবং এতদ্বিষয়ে অবকাঠামোগত সুবিধাদি নিশ্চিত করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য এ কোম্পানীর প্রধান স্থাপনা ও ডিপোসমূহ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। আলোচ্য বছরে বিনোদমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন বনভোজন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া পোষ্যদের শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে যাতে তারা ভবিষ্যতে আরও ভাল করার উৎসাহ পায়।

Компания Сансити
Современные тенденции моды и макияжа.
Шаблоны для DLE на dlepro.ru
можно скачать бесплатно.